ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দুজন ছদ্মবেশী গ্রাহককে আনুশকা মনি মোহন দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পাঠায়। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি তাদের মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাইওয়ের কাছিমীরা এলাকার একটি শপিংমলে দেখা করতে বলেন। মীরা-ভায়ান্দার, বাসাই-ভিরার পুলিশের সহকারী কমিশনার মদন বল্লাল জানান, ‘আমাদের টিম ওই স্থানে অভিযান চালায়। ছদ্মবেশী গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় আনুশকাকে হাতেনাতে ধরা হয়। এ সময় আমরা আরও দুজন নারীকে উদ্ধার করেছি, যারা টিভি সিরিয়াল এবং বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেছেন।’
উদ্ধার হওয়া এই দুই অভিনেত্রীকে একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তারা শারীরিক ও মানসিক সহায়তা পাচ্ছেন। এই অপরাধ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন বল্লাল।
আনুশকার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৩(৩) ধারায় মানব পাচারের মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি অনৈতিক দেহব্যবসা প্রতিরোধ আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।
আনুশকা মনি মোহন দাসের ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি নিজেকে মডেল-অভিনেত্রী, বলিউড ড্যান্স পারফরমার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ‘মুন দাস’ নামেও পরিচিত। সানি সিং, মিকা সিং, উদিত নারায়ণের সঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করেছেন তিনি। এছাড়া বাংলা ভাষার ‘লোফার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং তার ফেসবুকে বাংলা সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবিও রয়েছে।