Tuesday, September 2, 2025

গুলশান হত্যা মামলায় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশানে ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী পারভেজ ব্যাপারী হত্যা মামলায় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিদ্দিকের উপস্থিতিতে এই রিমান্ড আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ২০ আগস্ট এই মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক সামিউল ইসলাম তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, সিদ্দিকুর রহমান অত্যন্ত সুকৌশলে শাহজাদপুরের সুবাস্তু নগরভ্যালির সামনে উপস্থিত থেকে অর্থের যোগান দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে নিবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এজাহারনামীয় ২২৩ নম্বর আসামি হিসেবে তার নেতৃত্বে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার, অর্থের যোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের তথ্য সংগ্রহ, নেতৃত্বদানকারীদের চিহ্নিতকরণ এবং ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে পারভেজ ব্যাপারী বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন। ওই দিন জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল বিকালে বেইলি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু যুবক সিদ্দিকুর রহমানকে আটক করে। পরে তাকে রমনা থানা থেকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।


Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.