তবে সিনেমার বাইরেও ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন দু’জন। একসঙ্গে ‘মোহরা’, ‘ম্যায় খিলাড়ি তু আনাড়ি’, ‘খিলাড়িয়ো কা খিলাড়ি’র মতো সুপারহিট ছবিতে কাজ করার সুবাদে সম্পর্ক গড়ায় গভীরতায়। এমনকি পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে রেখে তাদের গোপন বাগদানও সম্পন্ন হয়েছিল বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছিল।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক টেকেনি। ১৯৯৮ সালে রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় নিজেই বলেন, “এটা শুধু একটা বাগদান ছিল, পরে ভেঙে যায়। তবে আমরা কখনও বিয়ে করিনি— এটা সবাইকে জানাতে চাই।” তার কণ্ঠে তখন শোনা গিয়েছিল আত্মপক্ষ সমর্থনের সুর।
অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে এক সাক্ষাৎকারে রাভিনা জানান, অক্ষয় নারীদের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন। বাগদানের খবর প্রকাশ্যে এলে তার ‘খিলাড়ি’ ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে— এমন আশঙ্কায় সম্পর্ক ধীরে ধীরে ভেঙে যায়।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, রাভিনার সঙ্গে সম্পর্ক থাকা অবস্থায় অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন অক্ষয়। যদিও শিল্পার সঙ্গে সেই সম্পর্কও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অবশেষে ২০০১ সালের ১৭ জানুয়ারি অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্নাকে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে এই দম্পতির দুই সন্তান— আরভ ও নিতারা।
অক্ষয়ের মতোই রাভিনাও গড়েছেন নিজের সুখী সংসার। ব্যবসায়ী অনিল থান্ডানিকে বিয়ে করে তিনি এক পুত্র রনবীর বর্ধন ও এক কন্যা রাশার মা হয়েছেন। এর আগে ১৯৯৫ সালে তিনি পূজা ও ছায়া নামে দুই কন্যাকে দত্তক নেন।
👉 আলোচিত সেই প্রেম এখন ইতিহাস। তবে অক্ষয়-রাভিনার অনস্ক্রিন জুটিকে ভক্তরা আজও মনে রাখেন ৯০–এর দশকের সোনালি স্মৃতি হিসেবে।