মিঠুনের অভিযোগ, কুণাল ইচ্ছাকৃতভাবে তার এবং পরিবারের বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও কুরুচিকর’ মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে তার সংশ্লিষ্টতা এবং স্ত্রী-ছেলেকে ঘিরে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ করেন তিনি। মিঠুনের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এসব বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা তার জনমুখী ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।
অন্যদিকে কুণাল ঘোষ বলেছেন, এ মামলায় তিনি বিচলিত নন, বরং একে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন। তার দাবি, আদালতে তিনি মিঠুনকে সরাসরি জেরা করার আবেদন করবেন এবং প্রয়োজনে সিবিআইয়ের এক কর্মকর্তাকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করবেন। কুণাল আরও বলেন, “একসময় আমাদের দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মিঠুন রাজনৈতিকভাবে দূরে সরে গিয়ে তিক্ততার সূচনা করেছেন। এবার তাকে কাঁদিয়ে ছাড়ব।”
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর থেকেই মিঠুন চক্রবর্তী ও কুণাল ঘোষের মধ্যে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দূরত্ব তৈরি হয়। যা এবার প্রকাশ্য আইনি লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস বলেছে, এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের উদাহরণ, যেখানে বিজেপি পুরনো চিটফান্ড ইস্যু টেনে এনে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।