তবে আওয়ামী লীগের হয়ে পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া অপু বিশ্বাসকে বিএনপির অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আওয়ামীপন্থী পরিচিত একজন নায়িকাকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেন অতিথি করা হলো।
ফেসবুকে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন—
-
“অপু বিশ্বাসও এখন বিএনপির সমাবেশে! দুঃখজনক।”
-
“আওয়ামী লীগের নমিনেশন চাওয়া একজন নায়িকাকে দাওয়াত দেওয়া কুষ্টিয়া বিএনপির অধঃপতনের প্রমাণ।”
-
“যারা তাকে এনেছে, তাদের বহিষ্কার করা হোক।”
কিছু নেটিজেন সরাসরি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, “আমরা যারা দমন-পীড়নের শিকার হয়েছি, তাদের মূল্য কি নেই? আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারণা চালানো অপু বিশ্বাসকে কেন দলে জায়গা দেওয়া হলো?”
অন্যরা অভিযোগ করেছেন, “বিএনপিও এখন আওয়ামী লীগের মতো নায়িকা ভাড়া করে প্রোগ্রাম সাজাচ্ছে।” কেউ কেউ এটিকে বিএনপির রাজনৈতিক দুর্বলতা ও বিভ্রান্তির প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।
নারী নেত্রী আলিয়া নিশাত লিখেছেন, “শেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার” বলা অপু বিশ্বাসকে কুষ্টিয়ার বিএনপি অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া—এটা দলবিরোধী কাজ। যারা তাকে এনেছে, তাদের আজীবন বহিষ্কার করা উচিত।”
জুয়েল নামে একজন মন্তব্য করেন, “১৫ বছর আওয়ামী লীগের প্রচারণা করা এই নায়িকাকে বিএনপির মঞ্চে বসানো শুধু চরিত্রহীনতার নয়, বরং বিএনপির দেউলিয়াত্বের প্রকাশ।”
নিজেকে বিএনপির ক্ষুদ্র কর্মী দাবি করা খান তমিজুল বলেন, “এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যারা তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে, তাদের বহিষ্কার করা উচিত।”
এছাড়া অনেকেই কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
সংক্ষেপে, অপু বিশ্বাসের বিএনপি মঞ্চে উপস্থিতি বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।