চলতি বছরের ৩ মার্চ দুবাই থেকে ভারতের বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে নামেন রানিয়া রাও। বিমানবন্দর ছাড়ার সময় তার কাছ থেকে ১৪ কেজির বেশি সোনা উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ। এসব সোনার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।
রানিয়ার সঙ্গে সোনা পাচারে জড়িত ছিলেন আরও তিনজন। তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের মামলা ও জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেঙ্গালুরুর কেন্দ্রীয় কারাগারে চার অভিযুক্তের হাতেই আদালতের নোটিশ পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতিজনকে ২৫০ পৃষ্ঠার মূল নোটিশ এবং ২ হাজার ৫০০ পৃষ্ঠার সংযুক্তিসহ মোট ১১ হাজার পৃষ্ঠার মামলার নথি প্রদান করা হয়।
প্রসঙ্গত, বাজেয়াপ্ত সোনার বাজারমূল্য ও শুল্ক ফাঁকির পরিমাণ হিসেব করে অভিযুক্তদের ওপর এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এটি শুধুমাত্র আর্থিক জরিমানা; মামলার চূড়ান্ত কার্যক্রম এখনো চলমান।
চলতি বছরের জুলাই মাসে রানিয়া রাওকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। মঙ্গলবার কর্ণাটক হাইকোর্টে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কন্নড় সুপারস্টার সুদীপ পরিচালিত ‘মানিক্য’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন রানিয়া রাও। এরপর ২০১৬ সালে তিনি অভিনয় করেন তামিল ভাষার সিনেমা ‘ওয়াঘা’-তে।